পবিত্রতম আদর্শ হযরত মুহাম্মদ (সা:) ও বিরুদ্ধবাদীদের ব্যাঙ্গচিত্র

Front Cover
Ahmadiyya Muslim Jama'at, Bangladesh., Feb 1, 2017 - 126 pages
0 Reviews
 

What people are saying - Write a review

We haven't found any reviews in the usual places.

Common terms and phrases

অতএব অন্য অর্থাৎ আঁ আঁ-হযরত সা.)-এর আছে আমরা আমাদের আমার আমি আর আরো আল্লাহ্ তা'লা আহমদীয়া ইসলাম ইসলামের ইহুদি উচিত উপর এই এক একজন একটি এখন এটা এটি এতে এবং এমন এর এসব ওপর ওয়া ওহী কথা করতে করবেন করা করার করুন করে করেছেন করেন কাছে কারণে কার্টুন কিছু কিন্তু কী কেননা কেবল কোন খণ্ড খোদা খোদার ছিল ছিলেন জন্য ডেনমার্কের তখন তথা তা তাকে তাদের তার তার সা তারা তাহলে তিনি আ তিনি সা তো থাকে থেকে দরূদ দিয়ে দেয়া নবী নয় না নিজ নিজেদের নিয়ে নেই পবিত্র পারে প্রকাশ প্রতি প্রতিক্রিয়া প্রত্যেক বরং বর্ণনা বলে বলেছেন বলেন বা বিরুদ্ধে ব্যক্তি মর্যাদা মহানবী মাওউদ আ মাঝে মাধ্যমে মুসলমান মুসলমানদের মুহাম্মদ যখন যদি যা যায় যার যারা যিনি যুদ্ধ যে যেন রূহানী খাযায়েন লন্ডন লাভ শিক্ষা সকল সব সম্পর্কে সা সাথে সূরা সে সেই স্বাধীনতা হওয়া হচ্ছে হতে হবে হয় হযরত মসীহ্ মাওউদ হয়ে হয়েছে হলো হাদীস হোক

About the author (2017)

 হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ, খলীফাতুল মসীহ্ আল খামেস (আই.)নিখিল-বিশ্ব আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রধান। তিনি প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানি (আ:)-এর প্রপৌত্র এবং পঞ্চম খলীফা।

তিনি ১৯৫০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের রাবওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মনসুর আহমদ ও মাতা নাসিরা বেগম আহমদ। ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিষয়ক অর্থনীতিতে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে তিনি ইসলামের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা তাঁকে ১৯৭৭ সালে ঘানায় নিয়ে যায় যেখানে বহু বছর ধরে আহমদীয়া মুসলিম জামাত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আহমদীয়া সেকেন্ডারি স্কুল সালাগা প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করেছিলেন। সেখানে তিনি স্কুলটির প্রথম দুই বছর অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০০৩ সালের ২২শে এপ্রিল আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের খলীফা পদে আজীবনের জন্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে তিনি নিখিল-বিশ্বের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন যেখানে ২০২টি দেশে এই সংগঠনের লক্ষ লক্ষ সদস্য রয়েছে।

খলিফা নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রিন্ট এবং ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইসলামের শান্তির বাণী পৌঁছানোর জন্য একটি বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের বিভিন্ন দেশীয় শাখাগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি চালু করেছে যেখানে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী প্রতিফলিত হয়।

বিশ্বজুড়ে আহমদী মুসলিমগণ অপরাপর মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় শান্তির প্রচারপত্র বিতরণ, আন্ত:ধর্মীয় এবং শান্তি সম্প্রীতি সভা ও পবিত্র কুরআনের প্রকৃত ও মহৎ বাণী প্রচারে বিভিন্ন উপস্থাপনা আয়োজন সহ নানা চেষ্টা প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে। এসব কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে এবং প্রমাণ করতে পেরেছে

যে ইসলাম শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে নিজ দেশের প্রতি অনুগত এবং মানবসেবার উন্নয়নে সবচেয়ে অগ্রগামী।

২০০৪ সালে তিনি বার্ষিক ন্যাশনাল পিস সিম্পোজিয়াম চালু করেন। সেখানে সমাজের সর্বস্তর থেকে অতিথিবৃন্দ শান্তি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে নিজেদের চিন্তাধারা বিনিময় করতে আসে। প্রতিবছর এই আলোচনাসভা অনেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

তিনি মানবসেবা সমুন্নত এবং সহজতর করার জন্য বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত অনেক স্কুল এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছে যেগুলো বিশ্বের দুর্গম অঞ্চলে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে।

হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.) বর্তমানে ইংল্যান্ডের লন্ডনে বসবাস করছেন। বিশ্বব্যাপী আহমদী মুসলিমদের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে তিনি ইসলামের শাশ্বত শান্তির বাণী প্রচারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

Bibliographic information