বিশ্ব সঙ্কট ও শান্তির পথ

Front Cover
Ahmadiyya Muslim Jama'at, Bangladesh. - 171 pages
0 Reviews

 বিশ্ব এখন অতি দুর্যোগময় সময়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট প্রায় প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন ও গভীরতর বিপদের রূপ নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী যুগের সাথে এর তুলনা বারবার উচ্চারিত হচ্ছে আর স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে যে, ঘটনাবলী পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে এক ভয়াবহ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপকভাবে অনুভূত হচ্ছে যে অবস্থা দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, আর মানুষ পথ চেয়ে আছে যে কেউ ময়দানে অবতীর্ণ হবেন এবং নিরেট বাস্তবতার নিরিখে যথাযথ ও শক্তিশালী (concrete, solid) দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন যার উপর তারা ভরসা রাখতে পারে আর যা তাদের হৃদয়ের ও মনের কথা বলবে আর তাদের মনে এ আশার সঞ্চার করবে যে এমন পথ রয়েছে যাতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। একটি পারমাণবিক যুদ্ধের পরিণাম এতটাই প্রলয়ঙ্করী যে বিষয়ে চিন্তা করতেও কেউ সাহস করে না।

এখানে, এ বইটিতে, আমরা নিখিল বিশ্ব আহমদীয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান হযরত মির্যা মসরূর আহমদ (আই.)-এর পথনির্দেশনাসমূহ সংকলন করেছি। গত কয়েক বছর ধরে, ঘটনাক্রম উন্মোচিত হতে হতে, তিনি নির্ভীকভাবে বিশ্বের সামনে ঘোষণা দিয়ে এসেছেন কোন দিকে সব কিছু অগ্রসর হচ্ছে- আতঙ্ক সৃষ্টি করতে নয়, বরং এ চিন্তার জন্য প্রস্তুত করতে যে, কেন বিশ্ব আজ এ অবস্থায় উপনীত আর কিভাবে বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে এবং কিভাবে এ বিশ্ব পল্লীতে বসবাসকারী সকল মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার এক পথ রচনা করা যায়। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেছেন যে বিশ্বের জন্য শান্তি নিশ্চিত করার একটিই পথ আর তা হল বিশ্ব যেন বিনয় ও ন্যায়ের দিকে ঝুঁকে আর অবনত মস্তকে খোদাতাআলার দিকে মুখ ফিরায়; মানুষ যেন মনুষত্ব প্রদর্শন করে আর শক্তিশালীরা (স্ববলরা) যেন দুর্বলের সাথে মর্যাদাবোধ ও শ্রদ্ধা এবং ন্যায়ের সাথে আচরণ করে আর দুর্বল ও দরিদ্ররাও যেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং সততা ও ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করে আর সকলে যেন তাদের স্রষ্টার দিকে একান্ত বিনয় ও পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে প্রত্যাবর্তন করে।

বার বার তিনি আমাদের এক এক করে প্রত্যেককে স্মরণ করিয়েছেন যে, ধ্বংসের কিনারা থেকে ফিরে আসার পথ হল জাতিসমূহের পারষ্পরিক সকল লেন-দেনে ন্যায়কে যেন এক অপরিত্যাজ্য শর্ত গণ্য করে। এমনকি যদি তাদের মধ্যে পারষ্পরিক শত্রুতাও থাকে তবু তাদের জন্য ন্যায়ের অবলম্বন আবশ্যক, কেননা ইতিহাস আমদেরকে শিখিয়েছে যে ভবিষ্যতের সকল প্রকার বিদ্বেষের চিহ্নকে নির্মূল করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার এটিই একমাত্র পথ। এটিই পবিত্র কুর’আনের সেই শিক্ষা বিশ্ব নেতৃবর্গের কাছে লেখা পত্রসমূহে তিনি যার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন:

মসজিদে-হারামে তোমাদেরকে (প্রবেশ করতে) কোন জাতির বাধা দেয়ার (কারণে সৃষ্ট) শত্রুতা যেন সীমালঙ্ঘনে তোমাদের প্ররোচিত না করে। এবং তোমরা পুণ্য এবং তাক্ওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পর সহযোগিতা করো এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পর সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহর তাক্ওয়া অবলম্বন কর, নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর।’ (৫:৩)

ইসরায়েলের প্রধান মন্ত্রীর কাছে লেখা পত্রে তিনি লেখেন:

অতএব, আপনার কাছে আমার আবেদন এই যে, বিশ্বকে একটি বিশ্বযুদ্ধের করালগ্রাসের দিকে নিয়ে যাওয়ার পথে নেতৃত্ব না দিয়ে, পৃথিবীকে একটি বিশ্বজনীন ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষার জন্য আপনার সর্বোচ্চ প্রয়াস গ্রহণ করবেন। বিরোধসমূহ নিরসনে বলপ্রয়োগ না করে, আপনাদের প্রয়াস হওয়া উচিত যেন সংলাপের মাধ্যমে এগুলোর সুরাহা হয়, যেন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রতিবন্ধিতা ও জন্মগত ত্রুটিসমূহ ‘উপহার’ দেয়ার পরিবর্তে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারি।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রপতিকে সতর্ক করে তিনি লেখেন:

বিশ্বে বর্তমানে খুব উত্তেজনা ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। কোন কোন এলাকায় ছোট পর্যায়ে যুদ্ধ-বিগ্রহের সূত্রপাত হয়েছে, আর অন্যত্র পরাশক্তিগুলো শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে নানা ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। প্রত্যেক দেশ তার কর্মকান্ডে অন্য কোন দেশকে হয় সমর্থন করছে বা বিরোধিতা করছে; তবে, ন্যায়ের দাবিকে পূর্ণ করা হচ্ছে না। পরিতাপের বিষয় যে, যদি আমরা বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি, আমরা দেখি যে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের ভিত্তি ইতিমধ্যেই রচিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি ওবামাকে তিনি লেখেন:

যেমনটি আমরা সকলে অবহিত আছি, যে মূল বিষয়গুলো পৃথিবীকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ধাবিত করেছিল তা হল লীগ অফ নেশন্স-এর ব্যর্থতা ও অর্থনৈতিক মন্দা, যার সূচনা হয়েছিল ১৯৩২ সালে। আজ শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদগণ বলেন যে, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের সাথে ১৯৩২ সালের পরিস্থিতির অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করি যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাবলির কারণে আবারো ছোট ছোট দেশের মধ্যে যুদ্ধের সূচনা করেছে, আর দেশগুলোর মধ্যে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অসন্তোষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে এমন শক্তিসমূহ সেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে যারা আমাদেরকে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে। যদি ছোট ছোট দেশগুলোতে রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিরোধসমূহের নিস্পত্তি সম্ভব না হয়, এর ফলস্বরূপ বিশ্বে নতুন মেরুকরণ ও গ্রুপিং-এর উদ্ভব হবে। এটিই হবে তৃতীয় এক বিশ্বযুদ্ধের পূর্বলক্ষণ। তাই আমার বিশ্বাস যে আজ, বিশ্বের উন্নতির দিকে মনোনিবেশ না করে, এটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় যে, আমরা এ ধ্বংসের হাত থেকে বিশ্বকে রক্ষার জন্য জরুরী ভিত্তিতে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা জোরদার করি। মানবজাতির জন্য আশু প্রয়োজন তার সেই একক খোদাকে চেনার, যিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা; কেননা একমাত্র সেটাই মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার নিশ্চয়তা দান করতে পারে; নতুবা বিশ্ব ক্রমাগত দ্রুতগতিতে আত্মহননের পথে অগ্রসর হতে থাকবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রিমিয়ার ওয়েন জিয়াবাও-কে তিনি লেখেন:

আমার দোয়া এই যে, বিশ্বের নেতৃবৃন্দ যেন প্রজ্ঞার সাথে আচরণ করেন এবং বিভিন্ন দেশের ও জাতির মধ্যে ক্ষুদ্র পরিসরে বিদ্যমান পারস্পরিক শত্রুতাসমূহকে বিস্ফোরিত হয়ে এক বিশ্বজনীন সংঘাতে পরিণত হওয়ার সুযোগ না দেন।

আর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি লেখেন:

এটা আমার অনুরোধ যে, প্রত্যেক স্তরে এবং প্রত্যেক আঙ্গিকে আমাদেরকে ঘৃণার আগুন নির্বাপিত করার সর্বোচ্চ প্রয়াস নিতে হবে। কেবলমাত্র যদি আমরা এ চেষ্টায় সফল হতে পারি তবেই আমাদের অনাগত প্রজন্মসমূহের জন্য এক উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দিতে পারবো। কিন্তু, যদি এ কাজে আমরা ব্যর্থ হই, তবে আমাদের মনে কোন সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই যে পারমাণবিক যুদ্ধের কারণে সর্বত্র আমাদের পরবর্তী প্রজন্মসমূহকে আমাদের কর্মের ভয়াবহ পরিণাম বহন করতে হবে, আর পৃথিবীকে এক বিশ্বজনীন বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা কখনো তাদের অগ্রজদের ক্ষমা করবে না। আমি আবার স্মরণ করাচ্ছি যে ব্রিটেন ঐ সকল দেশের অন্যতম যারা উন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রভাব রাখতে পারে এবং রেখে থাকে। আপনারা চাইলে ন্যায় ও সমতার দাবি পূরণ করে বিশ্বকে পথ দেখাতে পারেন। তাই ব্রিটেন এবং অন্যান্য বৃহৎ শক্তির উচিত বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। সর্বশক্তিমান খোদা আপনাকে ও অন্যান্য বিশ্ব নেতাকেএ বার্তা অনুধাবনের তৌফিক দিন।

এটি আমাদের আন্তরিক দোয়া যে এখানে সংকলিত দিকনির্দেশনা যেন মানবজাতির এ ভয়াবহ বিপদের দিনে পথ প্রদর্শনের এক উৎস হয়, যেন ন্যায় ও বিনম্রতার নীতির উপর আমল করে আর খোদাতাআলার দিকে ঝুঁকে, মানবজাতি এক স্থায়ী শান্তির আশীষ লাভ করতে সক্ষম হয়। আমিন।

 

What people are saying - Write a review

We haven't found any reviews in the usual places.

Selected pages

Common terms and phrases

অত্যন্ত অধিকার অনেক অন্য অফ আজ আপনাদের আপনার আমরা আমাদের আমাদেরকে আমার আমি আর আল্লাহর আহমদ আহমদীয়া মুসলিম ইসলাম ইসলামের উপর এই যে এক একজন একটি একে এটা এটি এবং এমন এর এরূপ এশিয়া কথা করছে করতে করবে করবেন করা উচিত করার করি যে করে করেছে করেন কাছে কাজ কারণে কিছু কিন্তু কেবল কোন খলিফা গ্রহণ চেষ্টা ছোট জন্য জাতির জাপান তবে তা তাই তাদের তার তারা তিনি থাকে থেকে দিকে দেয় দেশ দেশের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধর্মীয় নয় না নিকট নিজ নিয়ে ন্যায় পত্র পথ পবিত্র পরিস্থিতির প্রকৃত প্রতি প্রতিষ্ঠিত প্রদান বড় বরং বা বিরুদ্ধে বিশ্ব বিশ্বযুদ্ধের বিশ্বাস বিশ্বের বিষয়ে ভালোবাসা মধ্যে মসীহ মহানবী মানুষ মানুষের মি মুসলমান মুসলমানদের যখন যদি যা যার যারা যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের যে যেখানে যেন লক্ষ্য লন্ডন শান্তি শান্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার শিক্ষা সকল সময় সম্পর্কে সম্প্রদায়ের সা সাথে সুযোগ সে সেই হওয়া হচ্ছে হতে পারে হবে হয় হযরত মির্যা হয়ে হয়েছে হল হিসেবে

About the author

হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ, খলীফাতুল মসীহ্ আল খামেস (আই.)নিখিল-বিশ্ব আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রধান। তিনি প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানি (আ:)-এর প্রপৌত্র এবং পঞ্চম খলীফা।

তিনি ১৯৫০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের রাবওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মনসুর আহমদ ও মাতা নাসিরা বেগম আহমদ। ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিষয়ক অর্থনীতিতে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে তিনি ইসলামের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা তাঁকে ১৯৭৭ সালে ঘানায় নিয়ে যায় যেখানে বহু বছর ধরে আহমদীয়া মুসলিম জামাত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আহমদীয়া সেকেন্ডারি স্কুল সালাগা প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করেছিলেন। সেখানে তিনি স্কুলটির প্রথম দুই বছর অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০০৩ সালের ২২শে এপ্রিল আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের খলীফা পদে আজীবনের জন্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে তিনি নিখিল-বিশ্বের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন যেখানে ২০২টি দেশে এই সংগঠনের লক্ষ লক্ষ সদস্য রয়েছে।

খলিফা নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রিন্ট এবং ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইসলামের শান্তির বাণী পৌঁছানোর জন্য একটি বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের বিভিন্ন দেশীয় শাখাগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি চালু করেছে যেখানে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী প্রতিফলিত হয়।

বিশ্বজুড়ে আহমদী মুসলিমগণ অপরাপর মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় শান্তির প্রচারপত্র বিতরণ, আন্ত:ধর্মীয় এবং শান্তি সম্প্রীতি সভা ও পবিত্র কুরআনের প্রকৃত ও মহৎ বাণী প্রচারে বিভিন্ন উপস্থাপনা আয়োজন সহ নানা চেষ্টা প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে। এসব কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে এবং প্রমাণ করতে পেরেছে

যে ইসলাম শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে নিজ দেশের প্রতি অনুগত এবং মানবসেবার উন্নয়নে সবচেয়ে অগ্রগামী।

২০০৪ সালে তিনি বার্ষিক ন্যাশনাল পিস সিম্পোজিয়াম চালু করেন। সেখানে সমাজের সর্বস্তর থেকে অতিথিবৃন্দ শান্তি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে নিজেদের চিন্তাধারা বিনিময় করতে আসে। প্রতিবছর এই আলোচনাসভা অনেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

তিনি মানবসেবা সমুন্নত এবং সহজতর করার জন্য বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত অনেক স্কুল এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছে যেগুলো বিশ্বের দুর্গম অঞ্চলে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে।

হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.) বর্তমানে ইংল্যান্ডের লন্ডনে বসবাস করছেন। বিশ্বব্যাপী আহমদী মুসলিমদের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে তিনি ইসলামের শাশ্বত শান্তির বাণী প্রচারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

Bibliographic information