জামাতের ব্যবস্থাপনায় কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব | Responsibilities of the Executives of Nezam-e-Jamaat

Front Cover
Ahmadiyya Muslim Jama'at, Bangladesh., Feb 10, 2006 - 33 pages
0 Reviews
 

What people are saying - Write a review

We haven't found any reviews in the usual places.

Selected pages

Common terms and phrases

অধিকার অনেক অন্য অমুক অর্থাৎ আছে আনুগত্য আপনাদের আপনার আবশ্যক আমরা আমার আমি আমীর আমীরকে আমীরের আর আর্থিক আলোকে আল্লাহ্র উচিত এ ধরনের এ বিষয়ে এক একটি একথা এটি এবং এমন এর এসব কখনো কখনো কখনো কথা করতে করবেন করা হয় করা হয়েছে করার করুন করে করেছেন করেন কর্মকর্তা কাছে কাজ কারও কারণে কি কিছু কিন্তু কী কেননা কেবল কোন কোন ক্ষমতা খরচ খাত খাতে জন্যে জামাতী জামাতের টাকা তখন তবে তা তাই তাকওয়ার তাকে তাদের তাদেরকে তার তারা তাহলে তিনি থাকেন থেকে দায়িত্ব দিয়ে নয় না নি নিজের নেই পক্ষ থেকে পরামর্শ পারে না পারেন প্রতি প্রত্যেক প্রদান ফলশ্রুতিতে ফিতনার বড় বরং বলে বা বাজেট বিভিন্ন বিশেষ বিষয়ে বেশি ভুল মজলিসে আমেলার মনে মাঝে যখন যদি যা যার যারা যে যেন রাখে রাখেন লাভ সদস্যের সব সময় সমর্থন সম্পর্ক সম্বন্ধে সাথে সিদ্ধান্ত সৃষ্টি হয় সে সেই সেক্রেটারী স্বাক্ষর হচ্ছে হতে হবে হযরত হয়ে থাকে হয়ে যায় হয়েছে হোক

About the author (2006)

 হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ, খলীফাতুল মসীহ্ আল খামেস (আই.)নিখিল-বিশ্ব আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রধান। তিনি প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানি (আ:)-এর প্রপৌত্র এবং পঞ্চম খলীফা।

তিনি ১৯৫০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের রাবওয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মনসুর আহমদ ও মাতা নাসিরা বেগম আহমদ। ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিষয়ক অর্থনীতিতে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে তিনি ইসলামের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁর নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা তাঁকে ১৯৭৭ সালে ঘানায় নিয়ে যায় যেখানে বহু বছর ধরে আহমদীয়া মুসলিম জামাত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আহমদীয়া সেকেন্ডারি স্কুল সালাগা প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করেছিলেন। সেখানে তিনি স্কুলটির প্রথম দুই বছর অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০০৩ সালের ২২শে এপ্রিল আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের খলীফা পদে আজীবনের জন্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে তিনি নিখিল-বিশ্বের আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন যেখানে ২০২টি দেশে এই সংগঠনের লক্ষ লক্ষ সদস্য রয়েছে।

খলিফা নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রিন্ট এবং ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে ইসলামের শান্তির বাণী পৌঁছানোর জন্য একটি বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের বিভিন্ন দেশীয় শাখাগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি চালু করেছে যেখানে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী প্রতিফলিত হয়।

বিশ্বজুড়ে আহমদী মুসলিমগণ অপরাপর মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় শান্তির প্রচারপত্র বিতরণ, আন্ত:ধর্মীয় এবং শান্তি সম্প্রীতি সভা ও পবিত্র কুরআনের প্রকৃত ও মহৎ বাণী প্রচারে বিভিন্ন উপস্থাপনা আয়োজন সহ নানা চেষ্টা প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে। এসব কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে এবং প্রমাণ করতে পেরেছে

যে ইসলাম শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে নিজ দেশের প্রতি অনুগত এবং মানবসেবার উন্নয়নে সবচেয়ে অগ্রগামী।

২০০৪ সালে তিনি বার্ষিক ন্যাশনাল পিস সিম্পোজিয়াম চালু করেন। সেখানে সমাজের সর্বস্তর থেকে অতিথিবৃন্দ শান্তি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে নিজেদের চিন্তাধারা বিনিময় করতে আসে। প্রতিবছর এই আলোচনাসভা অনেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

তিনি মানবসেবা সমুন্নত এবং সহজতর করার জন্য বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত অনেক স্কুল এবং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছে যেগুলো বিশ্বের দুর্গম অঞ্চলে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে।

হযরত মির্যা মাসরূর আহমদ (আই.) বর্তমানে ইংল্যান্ডের লন্ডনে বসবাস করছেন। বিশ্বব্যাপী আহমদী মুসলিমদের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে তিনি ইসলামের শাশ্বত শান্তির বাণী প্রচারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

Bibliographic information